শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকালে শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। নারী-শিশু সূরক্ষা, ধর্মীয় সংখ্যালঘু আদিবাসীদের সম-মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, উগ্র-ধর্মান্ধ রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে সমাবেশের আয়োজন করে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন। সভায় ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন সংগঠনের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট পারভেজ হাসেম।
নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দিল্লিতে ঘটে যাওয়া বেদনাহত ঘটনায় বিশ্বাবাসীর সঙ্গে বাংলাদেশও মর্মাহত বলে উল্লেখ করে সারওয়ার আলী বলেন, ‘আমরা দিল্লির সহিংসতায় হতাহতদের পাশে বিবেকবান বিশ্ববাসীকে দাড়ানোর আহ্বান জানাই। আশা করবো, ভারত সরকার এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের ও উপমহাদেশের হাজার বছরের সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ অবস্থানের ইতিহাস দেশবাসী অক্ষুণ্ন রাখবেন।’
সভায় রামেন্দু মজুমদার বলেন, ‘স্বাধীনতারসুবর্ণজয়ন্তীকে সামনে রেখে শপথ নিতে চাই, ধর্মের মহান বাণী সর্বক্ষেত্রেই সব মানবতার সম-মর্যাদা, নারী-শিশুদের সুস্থ্য ও স্বাভাবিক ধারায় বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে সমাজ, রাষ্ট্র ও পরিবারের দায়িত্ব রয়েছে। সমাজে এক শ্রেণির নিকৃষ্ট মানুষ নারী-শিশু ধর্ষণে লিপ্ত। এদের কঠোর হস্তে দমন করা গেলেই দেশ, সমাজ উন্নয়নের গতি ফিরে আসবে।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য জয়ন্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এ,কে আজাদ, জাহাঙ্গির আলম ফজলু, কাজী সালমা সুলতানা, সদস্য জোবায়ের আলম, বলায়েত হোসেন, ছাত্র নেতা গৌতম শীলসহ অনেকে।