শ্রীপুর পৌরসভার অন্তর্গত উজিলাব গ্রামের বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম। স্থানীয় কেওড়া বাজারের ওষুধ ব্যবসায়ী এই ব্যক্তি বলেন, ‘কাগজে কলমে শ্রীপুর দ্বিতীয় শ্রেণির পৌরসভা হলেও, প্রদীপের নিচের মতো এখানে অন্ধকারের মতো অবস্থা এখানে। উন্নয়নের দিক থেকে দেখলে এটি কোনও ‘ক্লাসেই’ পড়ে না। ভোট চলে গেলে কারও কোনও খোঁজ থাকে না। এবার আগে উন্নয়নের হিসাব মেলাবো, তারপর দেখেশুনে ভোট দেব।’
কথা হয় ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মাসুমের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘প্রতিবছর এই পৌরসভার জন্য যে বাজেট হয় তা ঠিকমতো বাস্তবায়ন হয় না বলেই মনে হয়। যা হয় তা পৌরসভার গতানুগতিক কাজ। নাগরিক সেবামূলক কিছু হয় না বললেই চলে।’
৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার গৃহিণী নাজমা আক্তার বলেন, ‘ভোটের সময় কথার ফুলঝুরি ছোটাতে আসেন প্রার্থীরা। কিন্তু ভোট শেষ হলে আর কারও দেখা মেলে না।’
সিএনজি অটোরিকশা চালক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শহরের রাস্তাঘাটের অবস্থা অনেকদিন ধরেই শোচনীয়। ভোটের সময় এসেছে এখন আমাদের কদরও বাড়বে। এবার এমন মানুষকে বেছে নেব, যিনি আমাদের মতো খেটে খাওয়া মানুষের কষ্ট বুঝবেন।’
ভোটারদের অভিযোগের বিষয়ে মূল রয়েছে গ্যাস-পানি সংকট, অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণ, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, পয়ঃনিষ্কাশনে অব্যবস্থাপনা, মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব, বিনোদন কেন্দ্র ও খেলার মাঠের অভাব, মাদকের অবাধ বিস্তার ইত্যাদি। এ বিষয়গুলোর ওপর কোনও প্রার্থী কতটা জোর দেবেন সেটাই হবে নির্বাচনে সমর্থন পাওয়ার পূর্বশর্ত।
/এইচকে/এসটি/