করোনা পরীক্ষার লাইন হলেও সেখানে নেই কোনও সামাজিক দূরত্ব। অনেকে ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ব্যবস্থাও নেননি ঠিকমতো।
গা ঘেঁষাঘেঁষি করে তারা দাঁড়িয়ে আছেন ভেতরে যাওয়ার অপেক্ষায়। একদিকে পুলিশ, মাঝখানে ডাক্তার-নার্স ও সরকারি কমর্কর্তা-কর্মচারী এবং আরেক পাশে (ছবির ডানে) সাধারণ মানুষের লাইন।
সকাল ৮টার আগে থেকে লাইন শুরু হয় বলে জানান সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিরা। অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। কেউ কেউ দীর্ঘ লাইন দেখে ফিরেও যাচ্ছেন। ভেতরে গিয়েও নমুনা দেওয়ার জন্য আবার লাইনে দাঁড়াতে হয়।
বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের প্রায় প্রতিদিন ৩৫০টি পরীক্ষা হচ্ছে। পিসিআর মেশিন আছে দুটি। একটি সরকার দিয়েছে, আরেকটি আমাদের।’
পরীক্ষা করাতে আসা ব্যক্তিদের সামাজিক দূরত্ব না মানা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের একজন অ্যাসিসটেন্ট প্রফেসর আছেন, সেখানে তিনি মাইকে জনসাধারণকে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার আহ্বান জানান। এছাড়া আনসার সদস্যও আছে এসব দেখভাল করার জন্য। প্রতিনিয়ত বলা হচ্ছে, এক্ষেত্রে মানুষকেও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। এছাড়া আমাদের এখানে পরীক্ষার চাপ বেশি। যাদের লক্ষণ নেই তারাও আসছে পরীক্ষা করতে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা'র পরামর্শ কিন্তু লক্ষণ দেখা দিলে পরীক্ষা করার। এরপরও আসছেন। এক্ষেত্রে তাদেরও সচেতন হওয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি।’