এসব বিভাগের চিকিৎসক, নার্স, টেকনোলজিস্ট সবাইকে স্ক্রিনিং প্রক্রিয়ায় রাখা হয়েছে এবং স্ক্রিনিং শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে।
ডা. উত্তম কুমার বড়ুয়া বলেন, প্যাথলজি বিভাগের যাদের পরীক্ষায় নেগেটিভ এসেছে তারা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের প্যাথলজি বিভাগের সঙ্গে কাজ করছেন। রেডিওলজি বিভাগের কোনও কাজ হচ্ছে না, যতদিন না ফুল স্ক্রিনিং হয়। যেহেতু একসঙ্গে সব স্ক্রিনিং করা সম্ভব হয় না, তাই পুরো স্ক্রিনিং শেষ করে রেডিওলজি বিভাগ চালু করা হবে।
‘এছাড়া পেডিয়াট্রিক বিভাগের পাঁচ থেকে ছয় জন মেডিক্যাল অফিসার আক্রান্ত, এ কারণে এই বিভাগের বহির্বিভাগ সার্ভিস রেখে আন্তঃবিভাগের চিকিৎসকসহ অন্যদের কোয়ারেন্টিন শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা শিশু রোগী ভর্তি করছি না’, যোগ করেন ডা. উত্তম কুমার।
তিনি আরও জানান, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে কোনও রোগী ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না, এখানকার যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। অন্যান্য অস্ত্রোবিদ যারা রয়েছেন তারা সীমিতভাবে সার্জারি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের অস্ত্রোপচার চালু রেখেছেন।