অভিনন্দন বার্তায় তারা আরও বলেন, ছয় বছর খুব বেশি সময় নয়। তবে, এই অল্প সময়েই ‘বাংলা ট্রিবিউন’ বিশ্বস্ত গণমাধ্যম হিসেবে পাঠকের মনে স্থান করে নিয়েছে। আমরা পাঠক হিসেবে নিজেদের বাংলা ট্রিবিউন পরিবারের সদস্যই মনে করি। বাংলা ট্রিবিউনের খবর পড়ে পাঠক হিসেবে আমরা তৃপ্ত। রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের উপস্থিতি, সুষ্ঠু নির্বাচন, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, সাংবিধানিক চর্চার ধারাবাহিকতা, জবাবদিহি, নানা মত গণতন্ত্রের অন্যতম উপাদান। তা রক্ষা করতে ‘বাংলা ট্রিবিউন’ জন্ম থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, যার ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। এগুলোর সঙ্গে গণতন্ত্রেরই আরেক অনুষঙ্গ মত প্রকাশের স্বাধীনতা। বলা হয় গণতন্ত্রের জন্য গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অপরিহার্য। আর এর জন্য প্রতিষ্ঠানটি তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।
নেতৃদ্বয় জানান, টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনও অবস্থায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করা যাবে না। তাই শৃঙ্খলিত গণমাধ্যম নয়, বরং স্বাধীন গণমাধ্যমই পারে দেশ ও জাতিকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর ও উপযোগী করে গড়ে তুলতে।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বাংলা ট্রিবিউনের সম্পাদক, প্রকাশক, সকল স্তরের সংবাদকর্মীসহ বিভিন্ন বিভাগীয় প্রধানকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তাদের সুস্থতা ও সার্বিক সফলতা কামনা করে বলেন, আগামী দিনে ‘বাংলা ট্রিবিউন’ পাঠকের মনে আরও গভীরভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করে নেবে বলে আশা করি।