বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের সংস্থাগুলোকে ভাসানচর পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে এবং ওই সফরে ভাসানচরে কী কী থাকতে হবে সেটি নিয়ে দুপক্ষ আলোচনা করছে। ইউএনএইচসিআর মনে করে ভাসানচরে পাঁচটি বিষয়ের উপস্থিতি জরুরি। প্রথমটি হচ্ছে নিরাপত্তা ও টেকসই ভাবে অবস্থান করা। এছাড়া জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবিক সহায়তাকারীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, টেকসই জীবিকা, উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা ও অন্যান্য সুবিধা থাকতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় এই পাঁচটি বিষয় নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনও পর্যালোচনা হয়নি।
এদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া রোধে সরকারকে সহায়তা করছে ইউএনএইচসিআরসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা। ক্যাম্পে ১৪ মে প্রথম করোনা রোগী পাওয়া যায়। ক্যাম্পে এখন পর্যন্ত ৩০ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইতোমধ্যে করোনা রোগীদের জন্য ২০০ শয্যার একটি হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে এবং চারটি কোয়ারেন্টিন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে।
এদিকে ২০২০ সালের জন্য বাংলাদেশে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে খরচ করার জন্য দাতাদের কাছে ৩১ কোটি ডলার চেয়েছিল ইউএনএইচসিআর। মে মাস পর্যন্ত ৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার তহবিল সংগ্রহ করতে পেরেছে সংস্থাটি।