আদালতে সোহেল রানার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিন, নাহিদ সুলতানা যুথি ও শাকিলা রওশন। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম খান।
এর আগে গত ১৬ জুন অর্থপাচার মামলায় চট্টগ্রাম কারাগারের বরখাস্তকৃত জেলার সোহেল রানাকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই আদেশ দিয়েছিলেন। পরে ওই আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে দুর্নীতি দমন কমিশন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৭ অক্টোবর ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ময়মনসিংহগামী বিজয় এক্সপ্রেসের একটি বগি থেকে সোহেল রানাকে একটি ব্যাগসহ আটক করে রেলওয়ে পুলিশ। ওই ব্যাগে তল্লাশি করে ৪৪ লাখ ৪৩ হাজার টাকা, আড়াই কোটি টাকার তিনটি এফডিআরের কাগজ, এক কোটি ৩০ লাখ টাকার তিনটি ব্যাংক চেক, পাঁচটি চেক বই ও ১২ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহেল রানা পুলিশকে বলেছিলেন, ওই টাকার মধ্যে পাঁচ লাখ তার নিজের, বাকি টাকা অন্যদের।
পরে তার বিরুদ্ধে ভৈরব রেলওয়ে থানায় অর্থপাচার ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন রেল পুলিশের উপপরিদর্শক আশরাফ। অর্থপাচার মামলাটি তদন্ত করছে দুদক। আর গ্রেফতার হয়ে সোহেল রানা বর্তমানে কিশোরগঞ্জ কারাগারে আছেন।