দাফতরিক কাজে পেশাগত দক্ষতাসহ শুদ্ধাচার চর্চা-বিষয়ক বিভিন্ন সূচকে সন্তোষজনক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তিন জন কর্মকর্তা-কর্মচারী শুদ্ধাচার পুরস্কার পাচ্ছেন। ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য এ পুরস্কার পাচ্ছেন তারা।
নির্বাচিত তিন কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেন— দফতর বা সংস্থা প্রধান ক্যাটাগরিতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত সচিব) শিবনাথ রায়। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব শাকিলা জেরিন আহমেদ ও অফিস সহায়ক মো. ফেরদৌস জামান।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। পুরস্কার হিসেবে নির্বাচিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সনদ ও এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ পাবেন।
উল্লেখ্য, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শুদ্ধাচার চর্চায় উৎসাহ দেওয়ার লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা-২০১৭’ প্রণয়ন করে। নীতিমালার চার নম্বর ধারা অনুযায়ী, ১১টি ক্ষেত্র ও ১৯টি সূচক বিবেচনায় নিয়ে শুদ্ধাচার পুরস্কার দেওয়ার জন্য এই তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্বাচন করা হয়। শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ গুণাবলী হচ্ছে— পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা, সততার নিদর্শন, নির্ভরযোগ্যতা ও কর্তব্যনিষ্ঠা, শৃঙ্খলাবোধ, সহকর্মীদের সঙ্গে আচরণ, সেবাগ্রহীতার সঙ্গে আচরণ, প্রতিষ্ঠানের বিধিবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতা, সমন্বয় ও নেতৃত্বদানের ক্ষমতা, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে পারদর্শিতা, পেশাগত স্বাস্থ্য ও পরিবেশবিষয়ক সচেতনতা, উদ্ভাবনী চর্চার সক্ষমতা, বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে তৎপরতা, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, তথ্য প্রকাশে স্বপ্রণোদিত আগ্রহ, উপস্থাপন দক্ষতা, ই-ফাইল ব্যবহারে আগ্রহ, অভিযোগ প্রতিকারে সহযোগিতা করা।