শনিবার (২৭ জুন) থেকে শুরু হওয়া এই চিকিৎসা ব্যবস্থার কথা জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শঙ্কর পাল।
তিনি জানান, দগ্ধ রোগীর চিকিৎসার পাশাপাশি একই ভবনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদেরও চিকিৎসা হবে। তবে ভিন্ন ভিন্ন ফ্লোরে।
তিনি আরও বলেন, শনিবার রাত এগারোটা পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্ত চার জন রোগী নতুন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ৬০ জন রোগী ভর্তি নেওয়া হবে।
এদিকে, ইনস্টিটিউটে ২১৬ জন দগ্ধ রোগী ভর্তি রয়েছেন। তবে এখন দগ্ধ রোগী কিছু কমে গেছে।
উল্লেখ্য, গত ২ মে থেকে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে প্রথম করোনা ইউনিট চালু করা হয়। পরে নতুন ভবনটিকে (হাসপাতাল-২) ১৬ মে থেকে করোনা ইউনিট করা হয়। ২৭ জুন থেকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটেও করোনা ইউনিট চালু করা হয়েছে।