সভা উদ্বোধন করে রীভা গাঙ্গুলি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু মানে একজন সাহসী নেতা, একজন দৃঢ়চেতা মানুষ, একজন ঋষিতুল্য শান্তিদূত; একজন ন্যায়, সাম্য ও মর্যাদার রক্ষাকর্তা, একজন পাশবিকতাবিরোধী এবং যেকোনও জুলুমের বিরুদ্ধে একটি ঢাল।’
তার বক্তব্যের পরে অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে পাঁচটি অনুচ্ছেদ পাঠ করা হয়। বঙ্গবন্ধুর সাহসিকতা ও বাংলাদেশের উন্নয়নে তার অবর্ণনীয় অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সভায় অংশ নেন অধ্যাপক ফকরুল আলম, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রাজগোপাল ধর চক্রবর্তী, দ্য এশিয়ান এইজ পত্রিকার সম্পাদক সৈয়দ বদরুল আহসান, বিশ্বভারতীর ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক ড. শুভায়ু চট্টোপাধ্যায়, কবি, উদ্যোক্তা এবং ঢাকা লিট ফেস্টের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সাদাফ সাজ। অধিবেশনটি পরিচালনা করেন আইজিসিসি ঢাকার পরিচালক নীপা চৌধুরী।