পুলিশ জানান, ঢাকা মেট্রো-ছ-৭৫-০০৬০ নম্বরের অ্যাম্বুল্যান্সটির চালক ঢাকায় একটি হাসপাতালে রোগী নামিয়ে দিয়ে ময়মনসিংহ ফিরছিলেন। পথিমধ্যে গাজীপুরের শ্রীপুরের মাওনা থেকে চারজন যাত্রী তোলেন। এরপর রাত পৌনে তিনটায় ময়মনসিংয়ের ত্রিশালের তেলেরঘাট পৌঁছালে যাত্রী চারজন অস্ত্রের মুখে তাকে অ্যাম্বুল্যান্স থামাতে বাধ্য করে। এরপর তার মোবাইল ফোন ও টাকা পয়সা কেড়ে নিয়ে তাকে মারধর করে নামিয়ে দিয়ে অ্যাম্বুল্যানন্স নিয়ে চলে গেছে। তিনি একজন রিক্সাচালকের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ৯৯৯ এ ফোন করে জরুরি আইনী সহায়তার জন্য অনুরোধ জানান।
৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে কলারের সঙ্গে ময়মনসিংহ পুলিশ কন্ট্রোল রুমের কথা বলিয়ে দেয়। একইসঙ্গে মডেল থানা এবং ভরাডোবা হাইওয়ে ফাঁড়িকে বিষয়টি জানানো হয়। ৯৯৯ থেকে সংবাদ পেয়ে পুলিশের সব কটি ইউনিট তৎপর হয়ে ওঠে। ভোর পাঁচটায় ভালুকা মডেল থানার এস আই আবুল কালাম আজাদ ৯৯৯ কে ফোনে জানান ভালুকার সি স্টোর হামিদ গার্মেন্টসের পাশ হতে রাস্তার পাশে থামানো অবস্থায় অ্যাম্বুল্যান্সটি উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান ছিনতাইকারীরা প্রথমে শাখা রাস্তা ধরে যাচ্ছিল, এক পর্যায়ে তারা হাইওয়েতে উঠলে সেটির তথ্য পেয়ে তারা ছিনতাইকারী দের ধাওয়া করেন। পুলিশের তৎপরতা টের পেয়ে ছিনতাইকারীরা গাড়ি রাস্তার পাশে রেখে পালিয়ে যায়। ছিনতাইকারীদের আটকের প্রচেষ্টা অব্যহত আছে।
আইনী প্রক্রিয়া শেষে অ্যাম্বুল্যান্সটি মালিককে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।