মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে থেকে পরিচালিত হওয়া অভিযানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও র্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান শেষে র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, টেস্টিং ল্যাব থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট, চারটা অপারেশন থিয়েটার থেকে বিপুর পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ সার্জিক্যাল সামগ্রী পাওয়া গেছে। মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে স্যাম্পলগুলো যে প্রক্রিয়ায় টেস্ট করা হচ্ছে তা খুবই দুঃখজনক বলেও জানান তিনি।
কোভিড-১৯ পরীক্ষার ব্যবহৃত কিট দিয়ে তিনজনের পরীক্ষা করা হচ্ছিল বলে জানান সারোয়ার আলম। তিনি বলেন, একটি টেস্টিং কিট দিয়ে একজনের স্যাম্পল টেস্ট করার কথা কিন্তু তারা তিনজন করে টেস্ট করছে। কোভিডের যে প্রটোকল রয়েছে তার কোনওটাই মানা হচ্ছে না।
অভিযানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব(হাসপাতাল) উম্মে সালমা তানজিয়া উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক অনিয়ম পেয়েছি। কোভিডের যে প্রটোকল মানা উচিত, তার কোনোটাই তারা মানেনি। তাদের মাইক্রোবায়োলজি ল্যাব ও করোনা ইউনিট একই জায়গায়। যে কোয়ালিটি সম্পন্ন সেবা দেওয়ার কথা তারা সেটা দিচ্ছেন না।
দীর্ঘদিন হাসপাতালে ইন্সপেকশন না হওয়ার কারণে মেয়াদোত্তীর্ণ সামগ্রী রয়ে গেছে বলে মনে করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। তিনি বলেন, এখানে নিয়মিত ইন্সপেকশন হয়নি। একবছর আগে চেক করা হলেও চার বছরে আগে মেয়াদ শেষ হওয়া সার্জিক্যাল আইটেমগুলো থাকত না।