নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় ঘরে ফেরা মো. মামুন (৩০) পেশায় একজন পোশাক শ্রমিক। পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার মৃত লতিফ মিয়ার ছেলে মামুন। বর্তমানে তল্লা এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। তার স্ত্রীর নাম রুবী বেগম।
সোমবার সকাল থেকেই শোনা যায় আজ দুপুর নাগাদ একজনকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তাকে ড্রেসিংয়ের জন্য নেওয়া হয় দুপুরের পর। সে সময় মামুনের স্ত্রী রুবী বেগম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চিকিৎসকরা তাদের জানিয়েছেন মামুনকে আজ ড্রেসিং করে ছেড়ে দেওয়া হবে।’
শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শঙ্কর পাল বলেন, ‘৩৭ জন রোগীর মধ্যে ২৭ জন মারা গেছেন। ১০ জন ভর্তি রয়েছেন, এদের মধ্যে ৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে একমাত্র মামুন (৩০) আশঙ্কামুক্ত। বাকি ৯ জনের মধ্যে পোস্ট অপারেটিভে রয়েছে তিন জন ও আইসিইউতে আছেন ছয় জন। এরা সবাই ৫০ শতাংশের ওপরে দগ্ধ হয়েছেন। আর মামুনের শরীরের ১০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার দুই পা, হাত, চুল ও মুখমণ্ডল সামান্য দগ্ধ হয়েছে।’
মামুনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে এই চিকিৎসক বলেন, ‘তার অবস্থা ভালো রয়েছে। এখনও কিছু ক্ষত আছে। ড্রেসিং করে দেওয়া আছে, কিছু দিন সময় লাগবে।’
মামুনের ভায়রা মোসলেম উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঘটনার সময় মামুন মসজিদের গেটের বাইরে ছিল। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে আগুন এসে গায়ে লাগে। এতে তিনি দগ্ধ হন। এখন তিনি অনেকটাই ভালো আছেন।’