ওসি বলেন, ‘পালিত বোন জমিজমা দাবি করেছিল। এই নিয়ে বিরোধ ছিল। বিরোধের জের ধরে বোন হাসিনা, বোনজামাই মামুন, তাদের ছেলে ও ছেলেদের বন্ধুরা মিলে সাঈদকে ৩০ সেপ্টেম্বর মারধর করে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে মামলা করেছেন।’
বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এস আই) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। কীভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বলা যাবে।
নিহতের বড় ভাই লতিফুর রহমান বলেন, ‘বংশালের আবুল হাসনাত রোড়ে আমার বাবার নামে এক কাঠার একটি প্লট রয়েছে। বাবা আব্দুর রহমান মারা যাওয়ার পর থেকে স্বাভাবিকভাবে সন্তানরা মালিক হন। হাসিনা বেগম টেকি নামে বাবার একজন পালিত কন্যা ছিলেন। বোন তার পরিবার নিয়ে ওই বাসায় থাকেন। ভাই সাঈদ অবিবাহিত। তিনিও একই বাসায় থাকতেন। তিনি বাসায় মোবাইল মেরামতের কাজ করতেন।’
তিনি বলেন, ‘বাসায় বিদুৎ বিল অনেক টাকা বাকি পড়ে যায়, কারো পক্ষেই টাকা পরিশোধ করার অবস্থা নেই। তাই সবাই মিলে জমি ডেভেলপার কোম্পানিকে দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু বোন মোটা অঙ্কের ঢাকা দাবি করেন। এসব নিয়ে ঝগড়াঝাটি হচ্ছিল। গত ৩০ সেপ্টেম্বর বোন হাসিনা, তার জামাই মামুন, ছেলে ও তাদের কয়েকজন বন্ধু মিলে ভাই সাঈদকে বাসা থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বেধড়ক মারধর করে। স্ক্রু-ড্রাইভার শরীরে ডুকিয়ে দেয়। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ অক্টোবর রাতে তিনি মারা যায়।