রবিবার (১১ অক্টোবর) আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, অনেক সময় লঘুচাপ প্রথমে নিম্নচাপে এবং পরে সেই নিম্নচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হয়। আবহাওয়ার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসেও চলতি অক্টোবর মাসে একটি ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে যদি এই লঘুচাপ শক্তিশালী হয় তাহলে ঘূর্ণিঝড়ে আশঙ্কা রয়েছে। ভারতের গণমাধ্যমগুলো এরই মধ্যে ঘূর্ণিঝড় ‘গতি’ আসছে বলে শঙ্কা প্রকাশ করে প্রতিবেদন করছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবহাওয়াবিদ আব্দুল হামিদ বলেন, ‘সুস্পষ্ট লঘুচাপটি গতকাল (১০ অক্টোবর) বিকাল থেকে একই অবস্থায় আছে। তাই এখনও সমুদ্রবন্দরে ও নদীবন্দরগুলোতে কোনও সতর্ক সংকেত দেওয়া হয়নি।
তিনি জানান, বিকাল নাগাদ এটি শক্তিশালী হয়ে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। বিকাল পর্যন্ত আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করবো। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা এই আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে।
এদিকে আবহাওয়া অফিস জানায়, উত্তর আন্দামান সাগর ও এর আশেপাশের এলাকায় সৃষ্টি হওয়া সুস্পষ্ট লঘুচাপটি বর্তমানে পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর ও আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ হয়ে আবার ভারতের আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। লঘুচাপের পাশাপাশি মৌসুমি বায়ুর প্রভাবও আছে বাংলাদেশের ওপর। তবে তা কম সক্রিয় ও উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় আছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়, এসবের প্রভাবে সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দুই এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্য এলাকার আকাশ আংশিক মেঘলাসহ প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।