রবিবার (১১ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি কিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়। কমিশন এসকল সুপারিশ শিগগির সরকারের কাছে পাঠাবে।
সুপারিশগুলো হচ্ছে- নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা ও ধর্ষণ বন্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংজ্ঞাসহ বিভিন্ন ধারায় সংশোধন আনার পাশাপাশি আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন করা।
শিশুদের পারিবারিক ও নৈতিক শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি মাতা-পিতাকে তাদের সন্তানদের নজরদারিতে রাখা। ইন্টারনেটে শিশুদের পর্নগ্রাফি দেখাকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য দ্রুত কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে ‘জয় এ্যাপসের’ কার্যকরি ব্যবহার নিশ্চিত করা। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে ভিকটিমকে সুরক্ষা এবং তাকে আইনি সহায়তা দেওয়া।
সভায় কমিশনের সদস্য জেসমিন আরা বেগম এবং ড. নমিতা হালদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. সাদেকা হালিম, জয়শ্রি সমাদ্দার, জেলা জজ, লেজিসলেটিভ এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব জান্নাতুল ফেরদৌস, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের উপসচিব সাবিনা ফেরদৌস, এটিএন নিউজেরর হেড অফ নিউজ মুন্নি সাহা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গনসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শবনম আজিম, বিএনপিএস এর নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবির, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহিন আনাম,
বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির প্রেসিডেন্ট সালমা আলী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক তাসলিমা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিনিধি এডভোকেট মাসুদা রেহানা বেগম এবং এনজিও/আইএনজিও এর প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদসহ আরও অনেকে সভায় বক্তব্য রাখেন।