২০১৮ সালের সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্যানেল প্রত্যাশী সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল কাদের বলেন, ‘মঙ্গলবার একাংশ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবে। আরেক অংশ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবে, প্যানেল ঘোষণা না আসা পর্যন্ত।’
প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত দুটি নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫৬ হাজার ৯৩৬ প্রার্থী গত এক বছর ধরে প্যানেল শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের দাবি করে আসছেন।
এর মধ্যে ২০১৪ সালে স্থগিতের পর ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৯ হাজার ৭৮৮ জন এবং ২০১৮ সালে নিয়মিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৩৭ হাজার ১৪৮ জন প্যানেলভুক্তির দাবি জানান।
২০১৪ সালের স্থগিত (২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্যানেল প্রত্যাশীদের আন্দোলন কর্মসূচির পর ২০২৮ সালের নিয়মিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্যানেল প্রত্যাশীরা রবিবার (১১ অক্টোবর) থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
প্যানেল প্রত্যাশীরা জানান, এক বছরের বেশি সময় ধরে দাবি জানিয়ে আসলেও নতুন করে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। এ কারণেই অবস্থান কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।