ধর্ষকের বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়ে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘সরকার প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভুল কাজ করছে। ফাঁসি একটি অত্যন্ত ভুল কাজ। এর চেয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করুন। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা কোনও কঠিন কাজ না। দ্রুত ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করলে ১৫ বা সাত দিনের মধ্যেই ধর্ষকদের ৮০ ভাগ ধরা পড়ে যাবে। তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করে বিচার করেন। আর যারা ধরা পড়বে না তাদের জন্য আলাদা মামলা করেন। তাহলে দেখবেন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।’
সভায় জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘কিছুদিন যাবৎ আমরা ধর্ষণ, নারী নির্যাতনের অনেক ঘটনা ঘটনা। হঠাৎ করে মানুষ খারাপ হয়ে গেলো? না। দেশে অনাচার থাকলে, দুর্নীতি থাকলে, সুশাসনের অভাব থাকলে এটা ঘটানো হয়। এইসব জিনিস নিজে থেকে ঘটছে তা না। ভারত এই উপলক্ষ সৃষ্টি করছে। যাতে আমাদের এখানে তারা হস্তক্ষেপ করতে পারে।’
বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে আপনারা রাস্তায় নামুন। আমি হাঁটতে পারি না। আপনাদের সঙ্গে চলতে না পারলেও আপনাদের পেছনে পেছনে থাকবো।’
প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘ঘরে বসে আজান দিলে কেউ শুনবে না। সত্যিকারের ন্যায় প্রতিষ্ঠা করুন। আমরা আপনাকে সম্মান করবো। বঙ্গবন্ধু যে ভুল করেছিলেন আপনি সেই ভুল করবেন না। বঙ্গবন্ধুর অনেক গুণ ছিল, কিন্তু অন্যের কথায় বাকশাল কায়েম করেছিলেন। সিরাজ শিকদারকে হারিয়েছিলেন। তাই ন্যায়ের পথে চলেন। দেশে কোনও কিছু ঘটলে সেজন্য কিন্তু জনগণ দায়ী থাকবে না।’