শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে শাহবাগ থেকে এই লংমার্চ শুরু হয়। কয়েকটি বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে নোয়াখালীর অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন।
জানা যায়, কুমিল্লাতে রাতের খাবার শেষ করে রাতেই ফেনীতে পৌঁছে যাবে লংমার্চ। সেখানে রাত্রীযাপন করে শনিবার (১৭ অক্টোবর) নোয়াখালী শহর মাইজদীতে গিয়ে লংমার্চ পরবর্তী সমাবেশ করবে। এরপর শনিবার ঢাকা ফিরবেন লংমার্চ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সহ-সভাপতি সাদিকুল ইসলাম সাদিক কুমিল্লা থেকে বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘নারায়ণগঞ্জে সমাবেশ করে এখন আমরা কুমিল্লাতে পৌঁছেছি। সেখানে লংমার্চ পরবর্তী সমাবেশ করে রাতেই ফেনীতে যাবো।’
প্রসঙ্গত, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ঘটনার পর নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে গত ৫ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে গণজমায়েত কর্মসূচি শুরু করে বামপন্থী কয়েকটি ছাত্র সংগঠন। এরপর শাহবাগে টানা কর্মসূচি পালন করে তারা। এবার ‘ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে ঢাকা থেকে নোয়াখালী লংমার্চ’ কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
আরও পড়ুন: ধর্ষণের প্রতিবাদে লংমার্চ