এদিন কারাগার থেকে জলিল মাতাব্বরকে আদালতে হাজির করা হয়।
১৯ ফেব্রুয়ারি দারুসসালাম থানা এলাকা থেকে জলিল মাতব্বরকে আটক করা হয়। তিনি নারায়ণগঞ্জের জেলা গোয়েন্দা শাখায় (ডিবি) কর্মরত ছিলেন। তাকে গোপালগঞ্জে বদলি করা হয়েছিল।
মামলায় সূত্র থেকে জানা যায়, এসআই আবদুল জলিল মাতব্বর তার বিভিন্ন জিনিসপত্র কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে পাঠিয়েছিলেন। পার্সেলটি দারুস সালামে কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসে থাকার সময় তা থেকে মাদকের গন্ধ ছড়াতে থাকে। ভেতরে নিষিদ্ধ সামগ্রী থাকতে পারে বলে সন্দেহ হওয়ায় কুরিয়ার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পুলিশকে জানায়। দারুস সালাম থানা-পুলিশ গিয়ে পার্সেল খুলে ইয়াবা, ২৭ রাউন্ড গুলি, দুটি ম্যাগাজিন ও একটি পিস্তল উদ্ধার করে।