শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নিয়োগ প্রত্যাশী প্রার্থীরা এই কর্মসূচি পালন করেন।
২০১৮ সালে নিয়মিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা জানান, ২০১৮ সালের নিয়মিত শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির বিপরীতে ২৪ লাখ প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এরপর ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত ওই পরীক্ষায় মোট উত্তীর্ণ হন ৫৫ হাজার ২৯৫ জন। শূন্যপদ বাকি রেখেই নিয়োগ দেওয়া হয় মাত্র ১৮ হাজার ১৪৭ জনকে। উত্তীর্ণ ৩৭ হাজার ১৪৮ জন প্যানেলভুক্তির অপেক্ষায় থাকলেও তাদের বিষয়ে কোনও বিবেচনা করা হয়নি।
তারা জানান, অন্যদিকে ২০১৪ সালে স্থগিত করা ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৯ হাজার ৭৮৮ জনকে প্যানেলে নিয়োগের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশসহ রাজধানীসহ জেলায় জেলায় আন্দোলন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সংসদ সদস্যদের ডিও নিয়ে মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের আবেদন জানান তারা।
এসব কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর কাঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও জানান নিয়োগ প্রত্যাশী প্রার্থীরা।
এসময় ২০১৮ সালের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্যানেল প্রত্যাশী কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু হাসান, প্রচার সম্পাদক মো. ইলিয়াস ভূ্ঁইয়া, মিরাজুল ইসলাম প্রমুখ নিয়োগ প্রার্থী বক্তব্য রাখেন।