হোম ডেলিভারি সার্ভিসের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে ই-কমার্স সাইট চালু করেছে ফার্মার্স বেস্ট। রবিবার (১৫ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি। ফারমার্স বেস্ট একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেখান থেকে কৃষকের মাঠের সতেজ, স্বাস্থ্যকর এবং নিরাপদ শাক-সবজিসহ নানান গ্রোসারি পণ্য পৌঁছে দেওয়া হয় ক্রেতাদের দোরগোরায়। রবিবার প্রতিষ্ঠানটির এক বছর পূর্ণ হলো।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শহুরে বাসিন্দাদের জন্য নিরাপদ ও তাজা শাকসবজি, ফলমূল, কৃষিজাত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং গ্রামীণ প্রান্তিক কৃষকদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে ২০১৮ সালে ফারমার্স বেস্ট যাত্রা শুরু করে। ক্রেতার অনলাইনে অর্ডার করা পণ্য যথাযথভাবে পৌঁছে দিতে ২০১৯ সালে ফারমার্স বেস্ট হোম ডেলিভারি সার্ভিসও শুরু করে। বর্তমানে ঢাকার প্রায় ১২টি এলাকায় ডেলিভারি দিয়ে থাকে। কোম্পানিটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে দেশের শত শত প্রান্তিক কৃষকদের সঙ্গে কাজ করছে। ফারমার্স বেস্টের কৃষি বিশেষজ্ঞরা কৃষকদের ট্রেনিং দিয়ে থাকে ক্যামিকেল মুক্ত নিরাপদ ফসল উৎপাদন করতে শেখান।
ফারমার্স বেস্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহরিন হাসান বলেন, 'ফারমার্স বেস্টে আমাদের লক্ষ্য কৃষকের পাশে দাড়িয়ে তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখা। আমরা তাদের নিরাপদ কৃষি উত্পাদন বৃদ্ধি এবং ন্যায্য মূল্য অর্জনের জন্য আধুনিক প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি। বর্তমানে আমরা দেশের শত শত প্রান্তিক কৃষকদের সঙ্গে কাজ করছি, তাদের নিরাপদ পণ্য পৌঁছে দিচ্ছি ক্রেতাদের কাছে, নিশ্চিত হচ্ছে সুস্থিত আয়।'
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, ১৫ নভেম্বর থেকে ফারমার্স বেস্ট ক্রেতাদের কেনাকাটা সহজ করতে লঞ্চ করতে যাচ্ছে তাদের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম। যেখানে ক্রেতারা পাচ্ছেন সরাসরি কৃষকের মাঠের ফসলে তৈরি সেট ভেজিটেবল বক্স, ক্যামিকেল মুক্ত তাজা শাক-সবজি, দেশি-বিদেশি নানান ফল ও সবজি, সেরা ব্র্যান্ডের গ্রোসারি পণ্য, বাসাবাড়িতে প্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্য। এই প্ল্যাটফর্মে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা তাদের ঘরের তৈরি পণ্য ও বিক্রি করতে পারবে। ছোট পরিসরে শুরু করলেও তাদের বর্তমানে রয়েছে নিজস্ব ডেলিভারি ব্যাবস্থাপনা ও দক্ষ কাস্টমার সার্ভিস। গত এক বছরে প্রায় ১৫ হাজার ডেলিভারি সম্পন্ন করা হয়েছে। কোভিড ১৯ মহামারির সময়েও তারা সতর্কতার সঙ্গে ডেলিভারি করেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফারমার্স বেস্ট সব সময় কৃষকের পাশে থাকে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ জন কৃষকের মধ্যে তারা বিনামূল্যে বীজ বিতরণ করেছে এবং এই কার্যক্রমটি চলমান আছে।