বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া। তিনি বলেন, ‘কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ওই নারীর শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
শারমিনের চাচাতো বোন আফরোজা জানান,শারমিন যাত্রাবাড়ীর ধোলাইপাড় কবরস্থান রোডের পিকাপচালক রমজানের স্ত্রী। গত তিন বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পরের বছর তাদের একটি ছেলে জন্ম নেয়। এই ছেলেকে নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কলহ হয়। ছেলেটি অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ার পর শারমিনও দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিললেন। সে সময় স্বামী তার কোনও খবর নেননি। এ নিয়ে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল।
তিনি আরও জানান, শারমিন থাকতো তার বাবা-মায়ের সঙ্গে। আর স্বামী থাকতো কুতুবখালীতে তার নিজের বাসায়। আফরোজা বলেন, ‘তাদের মধ্যে মোবাইলে কথা হতো। শারমিনের স্বামী বিভিন্ন সময়ে ফোনে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ বলতো, যা তিনি সহ্য করতে পারতেন না।’
আফরোজার ধারণা, স্বামীর কারণেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন শারমিন।