সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ বছরের নভেম্বরে, ডব্লিউসিসি এর এপিআর এর পক্ষ থেকে প্যানডেমিকের সময়ে করা উচ্চমানের কারুশিল্প পণ্যের জন্য একটি প্রতিযোগিতা আহ্বান করা হয়। কোভিড পরিস্থিতিতে কারুশিল্পীদের সঙ্গে যোগাযোগের নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বেঙ্গল ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঁচটি জামদানি পণ্য প্রতিযোগিতায় উপস্থাপন করে।
উল্লেখ্য, বেঙ্গল ফাউন্ডেশন জাতীয় সংগঠন হিসেবে ডব্লিউসিসি এর এপিআরের সদস্যভুক্ত। ডব্লিউসিসি নিয়াোজিত তিন সদস্যের বিচারকমণ্ডলীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এশীয়-প্যাসিফিক অঞ্চলে মোট ১৯টি পুরস্কার প্রদান করা হয়, যার মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে একটি পুরস্কার পায় বাংলাদেশ ও দুটি পায় ভারত। প্রতিযোগিতার জন্য উপস্থাপিত পণ্য চয়ন এবং তথ্য সংগ্রহে বেঙ্গল ফাউন্ডেশনকে সহায়তা করেছে বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদ এবং নব ডিজাইনস।
বেঙ্গল ফাউন্ডেশন জানায়, এই মাসে এক অনলাইন অনুষ্ঠানে বয়নশিল্পী আনোয়ার হোসেন ও মোহম্মদ সজীবের হাতে ডব্লিউসিসি এর এপিআর প্রদত্ত ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, ওয়ার্ল্ড ক্রাফটস কাউন্সিল (ডব্লিউসিসি) ইউনেস্কোতে এনজিও হিসেবে নিবন্ধিত একটি আন্তর্জাতিক অবাণিজ্যিক সংস্থা, যা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। অঞ্চলভেদে ওয়ার্ল্ড ক্রাফটস কাউন্সিলের বিভিন্ন শাখা রয়েছে, যার মধ্যে এশিয়া প্যাসিফিক রিজিয়ন (এপিআর) সবচেয়ে বড় ও সক্রিয়। ডব্লিউসিসির লক্ষ্য শিল্পজাত পণ্য ও কারুশিল্পীদের মূলধারায় আনা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক মানদণ্ডে কারুশিল্পীদের উৎকর্ষসাধন, বিভিন্ন শিল্পী-গোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও সহযোগিতা বৃদ্ধি, শিল্পজাত পণ্যের মান উন্নয়ন এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে কারুপণ্যের প্রচার ও বিপণন অগ্রসর করা। বাংলাদেশ জাতীয় কারুশিল্প পরিষদ ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে ২০১৯ সালে জামদানি উৎসবের সফল আয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে ডব্লিউসিসি এর এপিআরের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওকে ওয়ার্ল্ড ক্রাফট সিটির মর্যাদা প্রদান করা হয়। এটিই বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র ওয়ার্ল্ড ক্রাফট সিটি।