সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ বলেন, ‘শহীদ রফিক ও তার পরিবারের জমির ওপরে সরকার একটি শহীদ মিনার স্থাপন করে দেন। পরিবারের মতে— ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের যারা প্রকাশ্যে বিরোধিতা করে, তারাই আজ নব্য আওয়ামী লীগ সেজে শহীদ রফিক ও তার পরিবারের অস্তিত্ব ধ্বংস করতে চায়। ২০১০ সালে শহীদ মিনারের জন্য সরকার ১২ ফুট চওড়া ১৬০ গজ দীর্ঘ রাস্তা নির্মাণ করে দেয়। পরিবারের মতে, ১৯৭১ সালে যাদের রাজাকার হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে বেঁধে রাখা হয়েছিল, তারা এখন ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়ে শহীদ মিনার ও শহীদ রফিকের বাড়ি ও পরিবার ধ্বংস করে দিচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, সরকারকে ব্যবহার করে শহীদ রফিকের বাড়ি ও শহীদ মিনারের রাস্তা বন্ধ করে একটি গুচ্ছগ্রাম স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়ছে। গুচ্ছগ্রাম স্থাপন না করার জন্য ইউএনও ও জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেও কোনও লাভ হয়নি।
সংগঠনের উপদেষ্টা মেজবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আমরা গুচ্ছগ্রামের বিরুদ্ধে নই। আমরা চাই, সেটি শহীদ রফিকের শহীদ মিনার সংলগ্ন না হয়ে অন্যপাশে করা হোক।’
এসময় মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর থানার বলধারা ইউনিয়নের অন্তর্গত রফিক নগরে মহান ভাষা শহীদের স্মরণে নির্মিত শহীদ মিনারের রাস্তা বন্ধ করে গুচ্ছগ্রাম নির্মাণের উদ্যোগ বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন— শহীদ রফিক উদ্দিন আহমেদ স্মৃতি পরিষদের সভাপতি মো. খোরশেদ আলম।