সূত্র জানায়, করোনা পজিটিভ যাত্রীর হাতে থাকা সার্টিফিকেটেই সুস্পষ্টভাবে তাকে কোভিড পজিটিভ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। অথচ কুয়ালালামপুরে এ যাত্রীকে বোর্ডিং করানোর সময় এয়ার এশিয়ার কর্মীরা বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি। কোভিড পজিটিভ এই যাত্রী সাড়ে তিন ঘণ্টা অন্য যাত্রীদের সঙ্গে আকাশযাত্রা করে ঢাকা পৌঁছেন। কুয়ালালামপুরে অবহেলা করলেও শাহজালালে হেলথ ডেস্কের কর্মীরা কোভিড পজিটিভ যাত্রীকে শনাক্ত করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ জামিল বলেন, ‘এ ঘটনায় শুধু এয়ারলাইন্সকে জরিমানা করা হলেও যাত্রী তার দায় এড়াতে পারেন না। কোভিড পজিটিভ এ যাত্রী বাংলাদেশের নাগরিক এবং একজন প্রবাসী কর্মী। কোভিড টেস্ট করানোর পর রেজাল্ট কী এসেছে তা জানারও কোনও প্রয়োজন মনে না করে তিনি বিমানবন্দরে চলে এসেছেন। কোভিড ঠেকানোর দায় শুধু সরকারের নয়, সবাইকেই সচেতন হতে হবে।’
এর আগে মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্স, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকেও জরিমানা করা হয় স্বাস্থ্যবিধি না মানায়। স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে শনিবার (১২ ডিসেম্বর) করোনা পরীক্ষার সনদ ছাড়াই যাত্রী পরিবহন করায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ম্যাজিস্ট্রেট আলী আফরোজ। গত বৃহস্পতিবার কোভিড নেগেটিভ সনদ ছাড়া যাত্রী আনায় মালদ্বীপের মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সকে দুই লাখ ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা করেন বিমানবন্দরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। মালদ্বীপের রাজধানী মালে থেকে কোভিড নেগেটিভ সনদ ছাড়া ২০০ বাংলাদেশি কর্মীকে নিয়ে ঢাকায় অবতরণ করে মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট।