গেরিলা, হাঙ্গর নদী গ্রেনেড, নদীর নাম মধুমতি, ভয়েস অব কনসিয়েন্স, যুদ্ধ শিশু, স্টেপ জেনোসাইড, ওরা ১১ জন, আমার বন্ধু রাশেদ ইত্যাদি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রতিদিন দুটি করে চলচ্চিত্র দেখানো হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ, কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আল মামুন বলেন, ‘গত ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস থেকে আজ ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৭ দিন মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী কর্মসূচি চলমান থাকবে। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে আমরা তরুণ প্রজন্মের নিকট মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি। প্রতিদিন শতশত লোক তাদের পরিবার-পরিজন নিয়ে এসে চলচ্চিত্রগুলো উপভোগ করছেন।’
মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ও আদর্শ তরুণ সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর বিকল্প নেই। কারণ চলচ্চিত্র সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যার মাধ্যমে একটি জাতির গৌরবোজ্জ্বল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানানো সম্ভব। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’