কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— লিয়াকত হোসেন ওরফে জাকির, বাদল খান, জাহাঙ্গীর আলম, জামাল হোসেন, শিহাব, মালেক ফরাজী ওরফে সাগর, জসিম, ওবায়দুল। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ‘সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিম(ডিবি, গুলশান) বিভাগের এসআই এছাহাক আলী আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। মালেক ও বাদলের পক্ষে তাদের আইনজীবী জামিনের জন্য আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুরের আদেশ দেন।
এর আগে, শ্যামপুর থানায় দায়ের করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন এসআই এছাহাক আলী। আসামিরা দেশি-বিদেশি জালমুদ্রা তৈরি, বিক্রি ও সরবরাহের অন্যতম হোতা। তারা দেশীয় জাল টাকা তৈরি করার পাশাপাশি ভারতীয় জালমুদ্রা তৈরি করে পাচার করে।
গত বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলমের নেতৃত্বে ডিবি গুলশান বিভাগ এই অভিযান চালায়। অভিযানে জাল নোট তৈরির পাইকারি ডিলার ও খুচরা বিক্রেতা নারী-পুরুষসহ ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে বাংলাদেশি ৩২ লাখ টাকার জাল নোট ও ২০ লাখ ভারতীয় রুপি। তাদের বিরুদ্ধে শ্যামপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।