বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমামের আদালত এ আদেশ দেবেন।
মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন-ডিএসসিসির সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনসহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন ফুলবাড়িয়া সুপার মার্কেটের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন। এরপর আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন এবং নথি পর্যালোচনা শেষে বুধবার এ মামলার আদেশ দেওয়া হবে বলে জানান।
মামলার অপর আসামিরা হলেন— ডিএসসিসির সাবেক প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ইউসুফ আলী সরকার, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাজেদ, কামরুল হাসান, হেলেনা আক্তার, আতিকুর রহমান স্বপন এবং ওয়ালিদ।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলামের আদালতে মার্কেটের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন এ মামলার আবেদন করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নাহিদ ইসলাম চৌধুরী, মাসুদসহ আরও অনেকে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, তৎকালীন মেয়র সাঈদ খোকনসহ অপর আসামিরা দোকান বরাদ্দের কথা বলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতারণা করে মোট ৩৪ কোটি ৮৯ লাখ ৭০ হাজার ৫৭৫ টাকা বেনামে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে গ্রহণ করেন। বাদী এ লেনদেনে বাধা দেওয়ায় আসামিরা তাকে প্রাণহানির চেষ্টা করেন। আসামিরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে থেকে কোটি কোটি টাকা নিয়েছেন, কিন্তু কোনও দলিলাদি দেননি।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৪/১০৯/১২০(খ)/৪০৬/৪১৭/৪৬৮/৪৭৭ (ক)/৫০৬ ধারায় অর্থ আত্মসাৎ ও অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গসহ কয়েকটি অভিযোগ আনা হয় এবং আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়।
এদিকে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানের বৈধতা পেতে সাঈদ খোকন মেয়র থাকার সময়ে দোকান প্রতি ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা করে দিয়েছেন তারা। অনেক ব্যবসায়ীর অভিযোগ— টাকা দেওয়ার পরও সে সময় দোকানের বৈধতা পাননি তারা।
তারা আরও জানান, দোকান মালিক সমিতির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু প্রায় দুই যুগ ধরে ওই তিনটি প্লাজা বা মার্কেট এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছেন। তার নেতৃত্বেই অবৈধ এসব দোকান তৈরি করা হয়েছিল।
দোকান মালিক সমিতির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন দেলু এবার দোকান বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনসহ সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা করলেন।
আরও পড়ুন:
ব্যারিস্টার তাপস দেলুকে দিয়ে নোংরামি করাচ্ছে: সাঈদ খোকন