বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকালে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ইউনিটি (ইআরএফ) আয়োজিত জিও ইকোনমিক নিয়ে এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ইআরএফ’র সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশিদুল ইসলামের পরিচালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইআরএফ সভাপতি শারমিন রিনভী।
এ সময় বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘অনেক দেশ হালাল সার্টিফিকেশন অথরিটি গঠন করে কাজ করছে। সেখানে আমাদের সুযোগ আরও বেশি রয়েছে। নিজেদের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে হালাল পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে আমরা সফল হবো। পর্যাপ্ত হালাল পণ্য ও দক্ষ জনবল আমাদের আছে। এটা নিয়ে কাজ করলে হালাল পণ্যের বিশ্ব বাজারে বড় অবদান রাখতে পারবো।’
ড. জাফর উদ্দিন বলেন, ‘গত ফেব্রুয়ারিতে আমাদের সাপ্লাই চেইন ব্যাপক বাধাগ্রস্ত হয়। কাঁচামাল স্বল্পতার কারণে আমাদের আইটেম রফতানিতে বাধা তৈরি হয়। আবার আমরা কী করছি সেটা সবাই দেখে। গ্র্যাজুয়েশনের জন্য আমরা তৈরি হচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ব অর্থনীতির অবস্থা দেখলে দেখা যায়, একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে কী ঘটছে, বাংলাদেশে তারই প্রতিফলন ঘটে। বাংলাদেশে পণ্য উৎপাদন বা রফতানিতে কী ঘটছে— ইউরোপে তারই প্রতিফলন ঘটে ‘
বাণিজ্য সচিব বলেন, ‘আমাদের পরবর্তী টার্গেট নেপাল। আমরা চাই, আমাদের পোশাক খাত (আরএমজি) আরও বড় হোক। পাশাপাশি প্লাস্টিক, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, জুট-অ্যাগ্রোবেজ প্রডাক্ট প্রসারিত হোক। আইসিটি নিয়ে ২০২৫ সালে পাঁচ বিলিয়ন ডলারের রফতানি টার্গেট নিয়েছি। কিন্তু হালাল পণ্য নিয়ে আমরা পিছিয়ে আছি। এ নিয়ে অনেক কাজ করার সুযোগ আছে।’