২০২১ বরণের এই মাহেন্দ্রক্ষণে দেখা গেছে রাজধানীর প্রায় প্রতিটি বাড়ির ছাদেই অবস্থান করছে মানুষ। একেকটি ছাদ থেকে একেরপর এক আকাশে ছুটে যাচ্ছে বর্ণিল আতশবাজি। এর পাশপাশি কেউ কেউ উড়িয়ে দিচ্ছেন ফানুস। কোন কোন ছাদে আছে সাউন্ড সিস্টেম, তাতে বাজছে গান। করোনা পরিস্থিতির কারণে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী ভবনের ছাদে উৎসবের আয়োজন করার নিষেধাজ্ঞা ও আতশবাজি ফোটানোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সেদিকে কারও নজর নেই।
ধানমন্ডি এলাকার বাসিন্দা কামরুল বলেন, প্রতি বছরই ঘরোয়াভাবে আমরা থার্টি ফাস্ট উদযাপন করি। সবাই মিলে একটু গেট টুগেদারের মতো হয়ে যায়। বাসার ছাদে বারবিকিউ করা হয় , আর গানবাজনা করেই কাটিয়ে দেই আমরা।
পুরান ঢাকার বাসিন্দা এনায়েত বলেন, থার্টি ফাস্টে সবাই আনন্দ করে, পটকা ফুটায়, গান বাজানা খাওয়া দাওয়া করে। পুরান ঢাকায় তো অনেকটা উৎসবের মতো থার্টিফাস্ট নাইট।
এছাড়া বিকাল ৫টার পর হাতিরঝিল এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত নাগরিকদের ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে স্ব-স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার পর ঢাকা মহানগরীর কোনও বার খোলা রাখা যাবে না। রাত ১০টার পর সব ফাস্টফুড দোকান বন্ধ থাকবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত আকারে আবাসিক হোটেলগুলোতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠান করতে পারবে। তবে কোনওভাবেই ডিজে পার্টি করতে দেওয়া যাবে না। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখ ভোর ৬টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেঁস্তোরা, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে সব ধরনের লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট নগরবাসীকে অনুরোধ করা হয়েছে। নির্দেশনা পালনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।