পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায় প্রতিনিধি দলটি ৯ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান নেবে।
মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, তারা পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, র্যাবের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি ডাক, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ও বেসামরিক বিমান মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরকে সন্ত্রাসবাদবিরোধী তথ্য সরবরাহ করে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের পুলিশকে বিভিন্ন প্রশিক্ষণও দেয়। আমেরিকার ফেডারেল ব্যুরো অব ইন্টেলিজেন্স বাংলাদেশে ব্লগার হত্যার তদন্তের বিষয়ে ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চ (ডিবি) ও ক্রিমিনাল ইসভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের (সিআইডি) সঙ্গে একযোগে কাজ করছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানালেন, এসবের পাশাপাশি পারস্পরিক তথ্য আদান-প্রদানে সাইবার সিকিউরিটি একটি নতুন ক্ষেত্র হতে পারে, কেননা ইন্টারনেটে অনেক ধরনের সাম্প্রদায়িক অপপ্রচার চালানো হয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে আগ্রহী।
সম্প্রতি ফেসবুক বন্ধ থাকার পর যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিক্যাট ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের সঙ্গে সাক্ষাতের পর জানান তারা বাংলাদেশের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী।
এরপর তারানা হালিম জানান, বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সাধারণ চুক্তি করতে আগ্রহী। এর ফলে ফেসবুক বা গুগলের মাধ্যমে সাইবার অপরাধ হলে সেটি দ্রুত নিরসনের উদ্যোগ নেওয়া সহজ হবে।
প্রসঙ্গত দুটি কোম্পানিই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এবং তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনও সহযোগিতা চুক্তি নেই।
এ ছাড়া জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে মার্কিন সিনেটের দুজন কর্মকর্তার ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। দুটি প্রতিনিধিদল দেশের শ্রমমান, রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করবেন।
/এসএসজেড/এফএ/