করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্য বিভাগের প্রণীত গাইডলাইন/স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করে সদরঘাটসহ অন্যান্য নৌবন্দরে যাত্রীসহ নৌযান পরিচালনার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে; লঞ্চের অনুমোদিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া আদায়ে এবং নদীর মাঝপথে নৌকাযোগে যাত্রী উঠালে সংশ্লিষ্ট লঞ্চ মালিক/চালকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বুধবার (৩১ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে লঞ্চ, ফেরি ও স্টিমারসহ জলযান সুষ্ঠুভাবে চলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
রাতের বেলায় স্পিডবোট চলাচল বন্ধ করা ও দিনের বেলায় স্পিডবোট চলাচলের সময় যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট পরিধান নিশ্চিত করতে হবে বলেও সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
এ সময় করোনাকালে প্রয়োজন না হলে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় না যেতে পরামর্শ দেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ এসেছে। গতবারের চেয়ে একটু বেশি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে বা এর ব্যত্যয় ঘটলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। গণপরিবহনে ৫০ ভাগ যাত্রী পরিবহনের সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। করোনার সময়ের জন্য লঞ্চের ভাড়া পুননির্ধারণ করা হবে।
বৈঠকে নেওয়া অন্যান্য সিদ্ধান্ত
ঈদের আগে তিনদিন ও ঈদের পরে তিনদিন নিত্য প্রয়োজনীয় ও দ্রুত পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ব্যতীত সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরীতে পারাপার বন্ধ রাখতে হবে। রাতের বেলায় সকল প্রকার মালবাহী জাহাজ, বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। আগামী ১১মে হতে ১৭মে তারিখ পর্যন্ত দিনের বেলাও সকল বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল বন্ধ রাখতে হবে। লঞ্চের যাত্রী ও মালামাল ওভারলোড করা যাবে না; স্টিমার/ লঞ্চ/স্পিডবোট হতে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না।