রেস্টুরেন্টে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি

স্বাস্থ্যবিধি পালন নিশ্চিত করতে মাঠে রয়েছে ঢাকা জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটরা। জনসাধারণকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে, সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ বাস্তবায়নে মাঠে রয়েছেন তারা।

শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর ধানমন্ডি ২ নাম্বার সড়ক সিটি কলেজের পাশ থেকে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে কার্যক্রমে হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলোতে অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মামুনুর রশিদ।

এদিন বিকাল ৩টার দিকে অভিযানের শুরুতেই ধানমন্ডি ২ নাম্বার রোডের স্টার কাবাবে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় দেখা যায় অনেকেই খাবারের সময় শারীরিক দূরত্ব না মেনে পাশাপাশি বসে আছেন। এতে হোটেল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ও চোখে পড়ে । এসময় ম্যাজিস্ট্রেট নিজেই লোকজনদের চেয়ার সরিয়ে কিছুটা ফাঁকা ফাঁকা জায়গায় বসার নির্দেশনা দেন। তবে সেখানে সবাইকে সচেতন করা হয়। কোনও জরিমানা করা হয়নি।

রাস্তায় মাস্ক ছাড়া ঘোরাফেরা করায় বেশ কয়েকজন কেউ জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

পরে ধানমন্ডি এলাকায় এসওআইথ্রি নামে এক রেস্টুরেন্টে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখানে মাস্ক ব্যবহার না করায় একজনকে জরিমানা করা হয়। রেস্টুরেন্ট থেকে সতর্ক করা হয়। পরবর্তীতে কোনও অনিয়ম পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা কিংবা জরিমানার আওতায় আনা হবে।

জিগাতলা সুলতান ডাইনস এ গিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত দেখতে পায়, গাদাগাদি করে বসানো হয়েছে কাস্টমারদের। দূরত্ব বজায় রেখে বসার জন্য রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি বলেও জানান কাস্টমাররা।

সুলতান ডাইনস এর ম্যানেজার জিয়াউর রহমান বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে তারা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তবে তিনি দোষ চাপালেন কাস্টমারদের ওপর।

পরে সুলতান ডাইনস জিগাতলা শাখাকে ১০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ মামুনুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ৫০ শতাংশের বেশি লোকজন রেস্টুরেন্টে বসতে পারবে না। কিন্তু অনেক রেস্টুরেন্টে লোকসংখ্যা শতভাগ রয়েছে। এজন্য বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্ট জরিমানা করা হয়েছে। কয়েকটিকে সতর্ক করা হয়েছে। পরবর্তীতে এসব রেস্টুরেন্টের নজরদারি রাখা হবে কোনও অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।