রাজধানীর মগবাজারে রবিবার (২৭ জুন) রাতে রাখি নীড়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় ৮ জন হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৫ জন এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩ জনের চিকিৎসা চলছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, আহতদের মধ্যে চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে মো. নূর নবী (৩০), ইমরান হোসেন (২৫) ও মো. রাসেল (২১) বার্ন ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে রয়েছেন। আর ঢামেকের ক্যাজুয়ালটি বিভাগে আছেন শিক্ষক এসএম কামাল হোসেন (৬২)।
চিকিৎসাধীন অন্য চার জন হলেন— আবু কালাম কালু (৩৩) ও জাফর আহামেদ (৬১) বার্ন ইনস্টিটিউটে, আর হৃদয় (২৮)ও সুভাষ সাহা (৬২)ঢামেকে আছেন।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. আলাউদ্দিন সোমবার (২৮ জুন) বিকালে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমাদের এখানে তিন জন ভর্তি রয়েছেন। এদের মধ্যে দুই জন নিউরোসার্জারি বিভাগে, অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগে একজন ও একজন ক্যাজুয়ালটি বিভাগে।’ তিনি বলেন, ‘এদের মধ্যে দুই জনের অপারেশন করা হয়েছে। বাকিদেরকেও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
ডা. আলাউদ্দিন বলেন, ‘বেশীর ভাগ রোগীর কাচের কাটাসহ হেড ইনজুরি রয়েছে। শামীম নামে আরেক রোগীকে নিউরো সার্জারিতে ভর্তি রাখা হয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরে জানতে পেরেছি, সোমবার দুপুরের দিকে ভর্তির ফাইল রেখে তিনি চলে গেছেন।’
অপরদিকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শংকর পাল বলেন, ‘আমাদের এখানে পাঁচ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে তিন জনই আইসিইউতে আছেন। তাদের শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। এই তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বাকি দুই জন আছেন জেনারেল ওয়ার্ডে। তাদের দগ্ধের পরিমাণ তেমন নেই। তবে মাল্টিপল ইনজুরি রয়েছে। তাদেরকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, রবিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে একটি তিন তলা ভবনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে দুই শতাধিক আহত ও ৭ জন নিহত হন। ঘটনাস্থলে অসংখ্য যানবাহন ও ভবন এই বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভ্যানচালক নূর নবীও এই ঘটনায় দগ্ধ হন।