ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে লবিস্ট নিয়োগ করে চক্রান্তের অভিযোগ

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ শ্রম আইনের বিধান মোতাবেক গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিকদের প্রাপ্য লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত ও ট্রেড ইউনিয়ন ধ্বংস করার জন্য ‘ঢাকা লজিস্টিক’ নামে একটি লবিস্ট প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (২১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের (সিবিএ) নেতৃবৃন্দরা এসব অভিযোগ তোলেন।

সংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিকদের বাংলাদেশ শ্রম আইনের বিধান মোতাবেক তাদের প্রাপ্য লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত ও ট্রেড ইউনিয়ন ধ্বংস করার জন্য ঢাকা লজিস্টিক নামক একটি লবিস্ট প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দিয়েছে। এই লবিস্ট প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় অবৈধভাবে ট্রেড ইউনিয়ন ধ্বংস ও শ্রমিকদের পাওনা থেকে বঞ্চিত করতে স্টেক হোল্ডার হিসেবে সরকারের সৎ ও ন্যায়পরায়ন উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের ছবিসহ নাম ব্যবহার করে একটি পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। যা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নীল নকশারই অংশ।

তাই উক্ত চক্রান্তের অংশ হিসেবে ঢাকা লজিস্টিকের ব্যবসায়িক রেজিস্ট্রেশন বাতিলসহ এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে জোর দাবি জানান ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দরা।

তারা প্রধানমন্ত্রী ও শ্রম প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, করোনা দুর্যোগ পরিস্থিতির মধ্যে গ্রামীণ টেলিকমের কর্মীদের যথারীতি কাজ ও দায়িত্ব প্রদান পূর্বক বাংলাদেশ শ্রম আইনের বিধান মোতাবেক ডাব্লিউপিপিএফ এর প্রাপ্য অংশ অনতিবিলম্বে কর্মীদের ও শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদানের জন্য আপনাদের নিকট আকুল আবেদন জানাচ্ছি।

ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান, ইউনি গ্লোবাল ইউনিয়নের সভাপতি আমজাদ আলী খান, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হক আমীন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল বাংলাদেশ কাউন্সিলের যুব বিষয়ক সম্পাদক বাবুল আক্তার, গ্রামীণফোন এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মাসুদ, বাংলালিংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি গোলাম মাহমুদ সোহাগ প্রমুখ।