ভুয়া ওয়ার্ক অর্ডারের মাধ্যমে এবি ব্যাংক থেকে ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা অর্থআত্মসাতের অভিযোগের মামলায় কাকরাইল শাখার সাবেক ম্যানেজার এবিএম আব্দুস সাত্তারকে কেন জামিন দেওয়া হবে না—জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। দুই সপ্তাহের মধ্যে মামলার বিবাদীদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) তার জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আসামির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. কামরুল ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন মানিক।
এর আগে, ২০২১ সালের ৮ জুন এরশাদ ব্রাদার্স করপোরেশনের মালিক এরশাদ আলী ও এবি ব্যাংকের সাবেক এমডি শামীম আহমেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ মামলা করে।
এরশাদ ব্রাদার্স করপোরেশনের মালিক এরশাদ আলী, এবি ব্যাংক কাকরাইল শাখার সাবেক ম্যানেজার এ বি এম আব্দুস সাত্তার ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন—কাকরাইল শাখার সাবেক রিলেশনশিপ ম্যানেজার মোহাম্মদ আবদুর রহিম, কাকরাইল শাখার এসভিপি মো. আনিসুর রহমান, সাবেক ভিপি শহিদুল ইসলাম, এভিপি মো. রুহুল আমিন, ইভিপি ওয়াসিকা আফরোজ, সাবেক ইভিপি মুফতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক এসইভিপি সালমা আক্তার, এভিপি মো. এমারত হোসেন ফকির, সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মো. তৌহিদুল ইসলাম, এমভিপি শামীম এ মোরশেদ, কাকরাইল শাখার ভিপি খন্দকার রাশেদ আনোয়ার, এভিপি সিরাজুল ইসলাম, সাবেক ভিপি মোহাম্মদ মাহফুজ উল ইসলাম, কাকরাইল শাখার ডিএমডি মশিউর রহমান চৌধুরী ও সাবেক এমডি শামীম আহমেদ।
পরে শহিদুল ইসলাম ও আবদুর রহিম হাইকোর্টে আগাম জামিন নিয়ে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তবে নিম্ন আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।এরপর তারা উচ্চ আদালতে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ৭ ডিসেম্বর তাদেরকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, সেই মর্মে রুল জারি করেন।
এদিকে, গত ১০ জানুয়ারি আব্দুস সাত্তার নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। সেখানে নামঞ্জুর হওয়ার পর তিনি হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন। পরে আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত তার জামিন প্রশ্নে রুল জারি করলেন।