দ্বিতীয় বিয়ে করেও প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন সোহাগ (২৭)। পাশাপাশি আরেক নারীর সঙ্গেও প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। এসব জেনে যান দ্বিতীয় স্ত্রী মুক্তা বেগম। এ নিয়ে কলহের জেরে শ্বাসরোধে মুক্তাকে হত্যা করেন সোহাগ। বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পল্লবী এলাকা থেকে সোহাগকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য পায় অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি।
বৃহস্পতিবার মালিবাগে সিআইডি প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর।
তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগ নিজেই শ্বাসরোধে তার দ্বিতীয় স্ত্রী মুক্তা বেগমকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। এ হত্যাকাণ্ডে অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা তা সোহাগকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যাবে।
তিনি আরও বলেন, ২০১৫ সালে বিলকিস বেগমকে বিয়ে করেন সোহাগ। তাদের একটি শিশুসন্তান রয়েছে। বিষয়টি না জানিয়ে ২০১৯ সালে মুক্তাকে বিয়ে করেন সোহাগ। নারায়ণগঞ্জ অনন্ত গার্মেন্টসে কাজ করতেন মুক্তা। সোহাগ কাজ করতেন আরেকটি গার্মেন্টসে। সেখানেও আরেক নারীর সঙ্গে সোহাগের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি মুক্তা জেনে যান। পাশাপাশি সোহাগের আগের বিয়ের বিষয়টিও জেনে যান তিনি। এতে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। কলহের জেরে মুক্তাকে হত্যা করেন সোহাগ।
সিআইডি জানায়, নিহতের হাত বাঁধা ছিল তোয়ালে দিয়ে, পা বাঁধা ছিল লুঙ্গি দিয়ে। হত্যাকাণ্ডের পর সোহাগ চট্টগ্রাম চলে যায়। সেখান থেকে রাজধানীর পল্লবীতে প্রথম স্ত্রীর কাছে আসে।
ঘটনার পর পরই ভিকটিমের চাচা বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ২৫ জানুয়ারি মামলা করেন। মামলার সূত্র ধরেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।