মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধীদের প্রত্যাহারের দাবি শিক্ষকদের

শিক্ষা বোর্ড, বিশ্ববিদ্যালয়, মাউশিসহ শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অধিদফতর থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধীদের অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে স্বাধীনতা শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন। বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। এছাড়াও শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের জন্য আগামী বাজেটে শিক্ষা খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

অন্যান্য দাবিগুলো হলো-শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের ঘোষণার মাধ্যমে একটি বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা করা; বিভিন্ন বোর্ডের অ্যাফিলিয়েশনপ্রাপ্ত সব স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত এমপিওভুক্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা; উৎসব ভাতা, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের সমপরিমাণ করা।

এছাড়া করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক প্রণোদনাসহ সব শিক্ষার্থীদের বিনা মূল্যে ডিভাইস, খাতা-কলমসহ অন্যান্য শিক্ষা সামগ্রী দেওয়া এবং সরকারি উদ্যোগে দুপুরে খাবার সরবরাহ করার দাবি জানানো হয়। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ মো. শাহজাহান আলম। তিনি বলেন, শিক্ষা খাতে বড় ভূমিকা রাখার পরও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত, নানা সমস্যায় জর্জরিত। এনটিআরসির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হলেও অসংখ্য এমপিওভুক্ত শিক্ষক শূন্য পদে আবেদন করে তাদের ইচ্ছেমতো পছন্দের প্রতিষ্ঠানে চলে যান। ফলে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ তৈরি হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়, আট দফা দাবি আদায়ে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি সারাদেশের জেলা সদরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন এবং জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি পালন করা হবে।