‘বর্ষার পানি বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ’

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান বলেছেন, বর্ষার পানি বাংলাদেশের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। বৃষ্টির পানিকে বিশুদ্ধ জল হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ওয়েস্টিন হোটেলে বিজিএমইএ ও ওয়াটারএইডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‌‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেইনওয়াটার হার্ভেস্টিং সাসটেইনেবল অ্যাপ্রোচ টু ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে ওয়াটারএইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ওয়াটারএইডের পরিচালক, পলিসি অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি পার্থ হেফাজ শেখ সভাপতিত্ব করেন। অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাপারেল ইয়ুথ লিডার্স অ্যাসোসিয়েশন বায়লার সভাপতি আবরার হোসেন সায়েম।

ফারুক হাসান বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপট এবং বর্ষাকালে বৃষ্টির জল সংগ্রহ এই ধারণাটি পোশাক শিল্পে উদ্ভাবনার দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। আমরা এখন দেখি, অনেক পোশাক কারখানাই উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় বৃষ্টির পানি সংগ্রহকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি  বলেন, বিজিএমইএ একটি প্রগতিশীল সংগঠন হিসেবে পানি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার বিষয়ে সদস্যভুক্ত কারখানাগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করেছে। কারখানাগুলোকে বৃষ্টির পানি সংগ্রহের জন্য সক্রিয়ভাবে উৎসাহিত করেছে।

ওয়াটারএইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান বলেন, ভূগর্ভস্থ পানি ক্রমশ হ্রাস পাওয়ায় আসন্ন দিনগুলোতে যে পানি সংকটের মুখে আমরা পড়তে যাচ্ছি, তা সমাধানে সবাইকে বৃষ্টির পানি সংগ্রহের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে গ্রহণ করতে হবে।

বায়লার সভাপতি আবরার হোসেন সায়েম বলেন, অনেক আধুনিক শিল্প টেকসই উৎপাদন ও পানি সংরক্ষণ প্রক্রিয়ায় তাদের পদচিহ্ন রেখেছে। ভবিষ্যতের বিপর্যয় মোকাবিলায় ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে শিল্পগুলো বৃষ্টির পানি সংগ্রহের পদ্ধতি গ্রহণ করছে। তরুণরাই দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির সম্ভাবনাময় চালক। সুতরাং, তরুণদেরকে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে রাখার বিষয়ে ধারণা প্রদান করতে হবে। যাতে তারা আগামী দিনগুলোতে পানি সংকট মোকাবিলায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।