প্রকল্পের চাল আত্মসাৎ: দুই কর্মকর্তাকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর) কর্মসূচির ৬০০ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগে করা দুদকের মামলায় দুই কর্মকর্তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তারা হলেন দামুড়হুদা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আশরাফ হোসেন ও একই কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. সাইফুর রহমান মলিক।
 
তাদের জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (১ মার্চ) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ। আর দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুন্নেসা রত্না। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

মামলার বিবরণী থেকে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি হতে একই বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ভুয়া অনুষ্ঠান দেখিয়ে খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর) কর্মসূচির ৬০০ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় দুদকের উপপরিচালক (মানি লন্ডারিং) আবদুল মাজেদ বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ (বিশেষ জজ) আদালতে মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন দামুড়হুদা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশরাফ হোসেন এবং একই কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক সাইফুর রহমান মালিক। তবে সাইফুর রহমান অবসর প্রস্তুতিকালীন ছুটিতে গেছেন। ২০১৬ সালে জীবননগর পিআইও দফতরে চাকরি করার সময় আশরাফ হোসেন ও সাইফুর রহমান ২ কোটি ১৮ লাখ ১ হাজার ৩০০ টাকা মূল্যের চাল আত্মসাৎ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

পরে ওই মামলায় তারা জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানায়।