এর আগে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক দীপক কুমার দাস ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দীপক কুমার দাস ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাব্যুনাল-৩ এ এই আবেদন করেন।
এ বিষয়ে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওই দিন আসামিকেও হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে রাজধানীর চকবাজার থানার খাজী দেওয়ানের প্রথম লেনের ৭৭ নম্বর বাড়ি থেকে মো. কামাল উদ্দিনকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ।
ডিবি দক্ষিণ বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) খালেদ মাশরুকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন,‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতরাতে তাকে আটক করা হয়েছে।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর কামাল ওইদিনের লাঞ্ছনার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সাত দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।’
পহেলা বৈশাখে লাঞ্ছনার ঘটনার পরপরই পুলিশ,ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ৮ লাঞ্ছনাকারীকে শনাক্ত করা হয়েছিল।তাদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুরস্কার ঘোষণাও করেছিল পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া কামাল ওই আটজনের অন্যতম বলে জানিয়েছেন মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন,‘কামাল ওই আটজনের একজন।।তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ হেফাজতে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকিদের গ্রেফতার করা হবে।’
মামলাটির পুনরুজ্জীবিতের আবেদনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এর আগে মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছিল।তবে এখন একজন গ্রেফতার হওয়ায় আদালতে মামলাটি পুনরজ্জীবিতের আবেদন করা হয়েছে।এখন এর তদন্তে দ্রুত অগ্রগতি হবে।’
২০১৫ সালের ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান শেষে বের হওয়ার সময় দল বেঁধে দুর্বৃত্তরা নারীদের শ্লীহতাহানির চেষ্টা করে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক এলাকায় সেদিন এই ঘটনা ঘটানো হয়।
পরে এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং ২৫ (৪)১৫।
/এমাআরআর/ এমএসএম