বাংলাদেশের ডিফেন্স ফিন্যান্স ডিপার্টমেন্টের (ডিএফডি) বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী অডিটর শূন্য পদে নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রতিরক্ষা মহা-হিসাব নিয়ন্ত্রক ও নিরীক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট চারজনকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রবিবার (১৩ মার্চ) বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন খান।
এর আগে বাংলাদেশের ডিফেন্স ফিন্যান্স ডিপার্টমেন্টের (ডিএফডি) কার্যালয় অডিটর (গ্রেট -১১) ৩৮৪টি শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। ২০২১ সালের ৫ অক্টোবর জাতীয় পত্রিকায় ওই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ২৩ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
তবে এরই মধ্যে ওই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে খবর প্রকাশ হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দুটি মামলা হয়। গত ২৪ জানুয়ারি রাজধানীর কাফরুল থানায় এবং রমনা থানায় অপর মামলা হয়। তারপরও পরীক্ষার ফলাফল দেওয়া হয়, যেখানে ১ হাজার ২০৭ জনকে উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে। ওই ফলাফলের ধারাবাহিকতায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা শুরু হয়ে চলমান রয়েছে এবং তা আগামী ৩০ মার্চ পর্যন্ত চলবে।
এমতাবস্থায় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে সেসব সংবাদ প্রতিবেদন সংযুক্ত করে ও পরীক্ষার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে চাকরিপ্রার্থী তানজীর আহমেদ তনু, তাহিয়াতুল শারমিন, মো. রাসেল গনি, মো. সুলাইমান শেখ ও মো. সোহেল রানা হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।