জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত ৭০টি শিশুকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সুবিধাবঞ্চিত ৭০টি শিশুকে নিয়ে নিজ কার্যালয়ে কেক কাটেন এবং ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখান তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার।
তেজগাঁও বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শুরুতেই শিশুদের নিয়ে কেক কাটা হয়। এরপর তিনি শিশুদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করেন। শেষে শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হয় নানা ধরনের শিক্ষাসামগ্রী। নতুন ব্যাগ, খাতা, রঙ পেন্সিল, কলম, জ্যামিতি বক্স ইত্যাদি হাতে পেয়ে শিশুরা আনন্দে মেতে ওঠে।
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনাচরণ, জীবনদর্শন ও ত্যাগ-তিতীক্ষার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে উপ-পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা শিশুদের নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্মৃতি জাদুঘর’ পরিদর্শনে যান। সেখানে শিশুরা জাদুঘরের প্রতিটি কক্ষ ঘুরে ঘুরে দেখে এবং তাদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
বিপ্লব কুমার সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। বঙ্গবন্ধু তাঁর আজীবন সংগ্রামে সবসময়ই বলেছেন, আমার মূল লক্ষ্য বাংলার দরিদ্র, নিঃস্ব, নিপীড়িত ও দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। শিশু দিবস উপলক্ষে আমরা এটাই মনে করি— যারা নিঃস্ব, দরিদ্র, পথশিশু, যারা অবহেলায় অনাদরে বেড়ে উঠছে, তাদেরকে যদি বঙ্গবন্ধুর এ আদর্শে অনুপ্রাণিত করা যায়, বঙ্গবন্ধু কী ছিলেন, বঙ্গবন্ধু কেমন ছিলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশের জন্য কী করে গেছেন, কতটুকু আত্মদান করেছেন, এটি যদি শিশুদেরকে বোঝাতে পারি, তাহলে এই দিনটি স্বার্থক হবে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হলে চাই সোনার মানুষ। আজকের যারা শিশু, তারাই একসময় সোনার মানুষ হবে।’