বিনোদপুর রামকুমার উচ্চ বিদ্যালয়ের কিছু মাথা (প্রভাবশালী ব্যক্তি) শিক্ষার্থীদের ফুসলিয়ে তাদের দিয়ে বিজ্ঞান শিক্ষক হৃদয় মণ্ডলকে ফাঁসিয়েছে বলে দাবি করেছেন তার সহধর্মিণী ববিতা হালদার।
শনিবার (৯ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টায় শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে হৃদয় মণ্ডলের মুক্তির দাবিতে ‘নিপীড়নের বিরুদ্ধে শাহবাগ’ ব্যানারে আয়োজিত সমাবেশে উপস্থিত হয়ে তিনি এ দাবি করেন।
হৃদয় মণ্ডলের সহধর্মিণী ববিতা হালদার বলেন, আমার স্বামী ২১ বছর ধরে ওই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। স্কুলের কিছু মাথা বাচ্চাদের ফুসলিয়ে একাজ করিয়েছে। তিনি ধর্ম অবমাননা করেনি, তিনি শুধু বলেছিলেন বিজ্ঞান প্রমাণের বিষয় আর ধর্ম বিশ্বাসের।
এলাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ওখানকার সকল হিন্দুরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছেন। উনি (হৃদয় মণ্ডল) গ্রেফতারের পর থেকে বাসা থেকে বের হলে নানা কটুকথা শুনতে হয়। সামাজিকভাবে আমাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে। বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হতে হচ্ছে। আমার স্বামীকে যেন নিঃশর্ত মুক্তির দেওয়া হয় আপনারা সে ব্যবস্থা করেন।