অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠায় টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম শিবলী সাদিকের বিরুদ্ধে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এ সংক্রান্ত জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে রবিবার (১০ এপ্রিল) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতের রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মামুন মাহবুব। তার সঙ্গে ছিলেন আশরাফুল ইসলাম আশরাফ। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।
এর আগে দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম শিবলী সাদিকের বিরুদ্ধে টেস্ট রিফিফ (টিআর) ও কাজের বিনিময় টাকা (কাবিটা) প্রকল্পের ২৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।
ওই ঘটনায় ২০১৭ সালে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানে নামে দুদক।
দুদকের অনুসন্ধান শেষে ২০১৮ সালের ২৫ জানুয়ারি শিবলী সাদিকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তার নাম বাদ দেওয়া হয়।
পরে সাদিকের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম।
আশরাফুল ইসলাম জানান, একই ঘটনায় দেলদুয়ার টাঙ্গাইলের সহকারি ভূমি কমিশনারের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত করা হয়। তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়, প্রকল্পের সদস্য না হয়েও প্রকল্পের টাকা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের নিজ একাউন্টে স্থানান্তর করার বিষয়টি সত্য। ওই প্রকল্পে নিম্নমানের ও স্বল্প মূল্যের সোলার লাগানো হয়েছে এবং অবশিষ্ট টাকায় বিভিন্ন কাজ হয়েছে বললেও কাজের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম. শিবলী সাদিকের নাম দুর্নীতি মামলার অনুসন্ধান থেকে বাদ দেওয়া কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে ২০২১ সালের ৪ অক্টোবর রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। শুনানি নিয়ে সেই রুল নিষ্পত্তি করে রায় দিলেন আদালত।