নিউমার্কেট এলাকায় সংঘর্ষ

৭ জুন তিন মামলার প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংঘর্ষ এবং নাহিদ হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী ৭ জুন এসব মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শুভ্রা চক্রবর্তী মামলার এজাহার গ্রহণ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তারিখ ধার্য করেন।

এর আগে বুধবার (২০ এপ্রিল) রাতে পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে। একটি মামলা বিস্ফোরক আইনে এবং অন্যটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে। দুই মামলায় নিউ মার্কেটের ব্যবসায়ী, কর্মচারী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীসহ  অজ্ঞাতনামা প্রায়  ১২শ’ জনকে আসামি করা হয়েছে। 

এছাড়া কুরিয়ার সার্ভিসের নিহত ডেলিভারিম্যান নাহিদের পরিবারের পক্ষ থেকে আরেকটি মামলা করা হয়েছে।

নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ কাইয়ুম বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) সকালে বাংলা ট্রিবিউনকে  বলেন, ‘জ্বালাও-পোড়াও ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ায় বিস্ফোরণ-হাঙ্গামার অভিযোগে পুলিশের পক্ষ থেকে দুটি মামলা করা হয়েছে। একটি মামলার বাদী হয়েছেন পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়ামিন কবির। অপর মামলার বাদী এসআই মেহেদী হাসান। এছাড়া নিহত নাহিদ হোসেনের চাচা মোহাম্মদ সাঈদ একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।’

এম এ কাইয়ুম আরও বলেন, ‘দায়ের করা তিনটি মামলার আসামিরা সবাই অজ্ঞাত। বুধবার রাতেই মামলাগুলো দায়ের করা হয়। নাহিদের চাচা মোহাম্মদ সাঈদের দায়ের করা হত্যা মামলায় আসামি করা হয়েছে ১০০ থেকে ১৫০ জনকে। এছাড়া ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ২০০ থেকে ৩০০ জনকে, আর পুলিশের দায়ের করা মামলায় নিউমার্কেটের ২০০ থেকে ৩০০ জন ব্যবসায়ী-কর্মচারী এবং ঢাকা কলেজের ৬০০ থেকে ৭০০ জনকে আসামি করা হয়।’

উল্লেখ্য, সোমবার (১৮ এপিল) রাত ১১টার দিকে কথা কাটাকাটির জেরে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ী ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। মঙ্গলবার সকাল থেকে থেমে থেমে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। ওই সংঘর্ষে বহু মানুষ আহত হন। তাদের মধ্যে নাহিদ ও মোরসালিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।