১১ হাজার শ্রমিকের বকেয়া পরিশোধ ও পাটকল চালুর দাবি

দুই বছর ধরে বন্ধ থাকা দেশের ৫টি পাটকলের প্রায় ১১ হাজার শ্রমিকের বকেয়া পাওনা পরিশোধ এবং রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে এসব পাটকল চালুর দাবি জানিয়েছে পাটকল রক্ষায় শ্রমিক কৃষক ছাত্র জনতা ঐক্য।

সোমবার (২০ জুন) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক সমাবেশে এ দাবি জানানো হয়। সমাবেশ থেকে চার দফা দাবি তুলে ধরেন শ্রমিক নেতারা।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, বন্ধ থাকা খালিশপুর জুটমিল, দৌলতপুর জুটমিল, জাতীয় জুটমিল, আর আর জুটমিল ও কে এফ ডি জুটমিলের এরিয়ার টাকাসহ সব ধরনের বকেয়া পাওনা অবিলম্বে পরিশোধ করা। রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো অনতিবিলম্বে রাষ্টীয় উদ্যোগে চালু করা। নাম জটিলতায় ভুক্তভোগী হওয়া স্থায়ী-বদলি শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করা। শ্রমিকের নামে দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানি মূলক মামলা প্রত্যাহার করা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সোনালি আঁশ খ্যাত পাটপণ্যের চাহিদা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক হারে বেড়েছে। ফলে পাট ও পাটপণ্যের সুদিন ফিরে এসেছে, দেশের অর্থনীতিতে এটি ভূমিকা রাখতে পারে। লোকসানের অজুহাতে ২০২০ সালে একযোগে রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকল বন্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী। এগুলো আবার চালু করার উদ্যোগ নিতে হবে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক কৃষক ছাত্র জনতা ঐক্যের আহ্বায়ক রুহুল আমিন, সংগঠক সম্পাদক নিয়াজ মোর্শেদ দুলাল, মিহীর বৈদ্যনাথ, আলমগীর হোসেন, মো. রুবেল হোসেন প্রমুখ।