বিজিবির ৯৯তম ব্যাচের সৈনিক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে আসা একজনকে আটক করেছে। পরবর্তীতে সেই ভুয়া পরীক্ষার্থীকে পুলিশের সোপর্দ করা হয়। তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। বিজিবি'র তিস্তা ব্যাটালিয়ন-২ (৬১ বিজিবি) এর সৈনিক পদে লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে এলে বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) তাকে আটক করা হয়।
বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালীন মিজানুর রহমান নামের এক ভুয়া প্রার্থীকে আটক করে বিজিবি'র তিস্তা ব্যাটালিয়ন-২ (৬১ বিজিবি)। সে প্রকৃত প্রার্থী সারোয়ার মণ্ডল সজীবের পক্ষে লিখিত পরীক্ষা দিতে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন বাহিনীতে লোক নিয়োগের নামে প্রতারণায় জড়িত দালাল চক্রের সদস্য আসাদুজ্জামান এবং ফজলুল তাকে তিস্তা ব্যাটালিয়নে নিয়ে আসে। এর মধ্যে আসাদুজ্জামান দালাল চক্রের প্রধান বলে মিজানুর রহমান জানায়। আসাদুজ্জামান এবং ফজলুল দুজনেই ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়ায় বসবাস করেন।
শরিফুল ইসলাম বলেন, মিজানুর মাস্টার্স পাস। তিনি ঠাকুরগাঁও শহরের হাজিপাড়ায় একটি মেসে থাকেন। ওই মেসের পাশেই বাসা নিয়ে থাকে দালাল চক্রের সদস্য ফজলুল। যেহেতু মিজানুর রহমানের উচ্চতা ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি সে কারণে দালাল চক্রের সক্রিয় সদস্য ফজলুল মিজানুর রহমানকে নির্বাচন করে প্রকৃত প্রার্থী সারোয়ার মণ্ডল সজীবের হয়ে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। প্রক্সির বিনিময়ে তার সঙ্গে পঞ্চাশ হাজার টাকার বিনিময়ে চুক্তি হয়।
বিজিবি মিজানুর রহমানকে পুলিশে সোপর্দ করেছে। ভুয়া প্রার্থী ও দালাল চক্রের বিরুদ্ধে হাতিবান্ধা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।