‘আনারকলির কর্মকাণ্ড আচরণবিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক’

ইন্দোনেশিয়ায় কূটনৈতিক শিষ্টাচার-বহির্ভূত আচরণের জন্য দেশে ফেরত আনা কূটনীতিক কাজী আনারকলির বিরুদ্ধে বিভাগীয় প্রক্রিয়া শুরু করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, আনারকলির পেশাগত আচরণ সরকারি আচরণবিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে আমরা কিছু তথ্য পেয়েছি। বিশেষ করে মারিজুয়ানা সংক্রান্ত। আমাদের সরকারি কর্মচারীদের জন্য যে আচরণবিধি আছে, সেটার সঙ্গে এটি সাংঘর্ষিক। সুতরাং, বিভাগীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা হয়তো আরও গভীরে যেতে পারবো।’

এখানে ফৌজদারি মামলা করা হবে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ’এটি অন্যদেশে হয়েছে। একেক দেশে একেক রকম নিয়ম। একই ঘটনা যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনও রাজ্যে হয়, সেখানে এটি অবৈধ নয়।  নেদারল্যান্ডসেও এটি অবৈধ নয়। এ পর্যন্ত আমরা সরকারি আচরণবিধির মাধ্যমে ঘটনাটি দেখার চেষ্টা করছি।’

মোমেন বলেন, ‘ (ওই কূটনীতিকের) বাসায় বিদেশি থাকার কোনও সত্যতা আমরা পাইনি।’

মারিজুয়ানার পরিমাণ কেমন ছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পরিমাণ তেমন নয়, অত্যন্ত সামান্য।’

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া থেকে আমরা তথ্য পেয়েছি। সেটার ভিত্তিতেই তাকে ফেরত নিয়ে আসা হয়েছে। এখন তদন্তের জন্য যদি সেখানে যেতে হয়, তবে যে তদন্ত কর্মকর্তা যাবেন, হয়তো তিনি আরও বেশি তথ্য বের করতে পারবেন।’

আনরার কলির ডোপ টেস্ট করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখানে সরকারি কর্মকর্তাদের ডোপ টেস্ট করার সিস্টেম নেই।’